August 24, 2026, 7:28 pm

কোটা সংস্কারের আন্দোলন: দুই বছরের যাত্রা ও বর্তমান পরিস্থিতি

২০২৪ সালের ১ জুলাই, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন ৩৬ দিনের মধ্যে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, যা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যায়। আজ এই আন্দোলনের দুই বছর পূর্ণ হলো।

আন্দোলনটি ২০১৮ সালে শুরু হয়, যখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শুরু করে। ৪ অক্টোবর, ২০১৮ সালে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেয়। তবে, ২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্ট ওই পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করলে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ মোট ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহাল হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা ফের আন্দোলনে নামেন। ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেন। তারা সরকারের কাছে কোটা বাতিলের নতুন নির্বাহী আদেশের দাবি জানান। ৪ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবির আইনি সুরাহা করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনের নেতারা।

১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে নতুন সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' গঠিত হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেন।

এই বিভাগের আরও খবর


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শুধু একার প্রস্তুতি নয়। আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী সব বাহিনীরও প্রস্তুতির দরকার আছে। নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) ঝাঁপ দিতে হবে। সে জন্য কার্যক্রম চলছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘এক্সিকিউভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখন বলা যাবে না। দিনক্ষণ অনেক ‘ফ্যাক্টরের’ ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন–সংশ্লিষ্টদের সবার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলে নির্বাচন হবে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু আইন–বিধি সংশোধন করা হচ্ছে। ইসি প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ও আছে, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি প্রয়োজন। সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তিনি জানান, বিদ্যমান আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা,পাবলিক পরীক্ষা—এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি পুলিশের প্রস্তুতি, সারা দেশের অবস্থা, কত সংখ্যক পুলিশ দিতে পারবে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে। তাদের কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে, খারাপ হবে না। তিনি আশা করেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে তাঁরা সেটা করতে পারবেন।

ফেসবুকে আমরা